শিক্ষক দিবসের কলঙ্কিত অধ্যায়ের নায়কের বিরোদ্ধে ক্ষোভে ফুসছেন শিক্ষকরা



কাঞ্চনপুর: দেশে ৫৭তম শিক্ষক দিবসের দিন কাঞ্চনপুরে আই এস' কৃতি সুন্দর'র হীন মানসিকতার কারণে রাজ্যে যে কলঙ্ক অধ্যায় রচনা করলো তার বিতর্ক এখনো চলছে। 


তার পরিচিত মহলের বক্তব্য আই এস'র একগুয়ে এবং অতি গৈরিক মানসিকতার কারণে রাজ্যে এমন কলঙ্কিত ইতিহাস রচিত হয়েছে। 

তার এমন আচরণকে সমর্থন করতে পারেননি অনুষ্ঠানে উপস্থিত খোদ বিধায়কও। বিধায়ককে শিক্ষক দিবসের দিন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককে অপমানের বিষয় সাংবাদিকরা জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং জানান তিনি এই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি, এমনকি তিনি তা সমর্থনও করেননি। নিজের অভিমত ব্যাক্ত করতে গিয়ে বলেন যদি এমনটা হয়ে থাকে তবে তা ঠিক হয়নি। 


অভিযোগ অতিস্বক্রিয় এই স্বঘোষিত কর্মচারী দীর্ঘ দিনের লাল জামা পরে ছিলেন এবং এই সুবাদে অনেক সুবিধা নিয়ে ছিলেন। এমনকি মাস ছয় আগেও এক জন কট্টর লাল ছিলেন। রাজ্যে পট পরিবর্তনের পর তিনিও রঙ পাল্টিয়েছেন এবং নিজের মর্জিমত কাজ কর্ম করছেন গুডবুকে নাম তোলার জন্য। যার ফল স্বরূপ দেশে রচনা করলো কলঙ্কিত অধ্যায়। এই কারণে দেশের মধ্যে কলঙ্কিত কারণ আমন্ত্রণ করে তিথিকে মঞ্চে উঠতে বারণ করলেন। 


এর জেরে রাজ্যের ব্যাপক অংশের শিক্ষক সমাজের মধ্যে বিশেষ করে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সমাজ ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারাও চিন্তায় রয়েছেন কোন একদিন কি তাদেরকেও এমন উদ্ধত্তপূর্ণ সরকারী আমলার হাতে মানসিক ভাবে লাঞ্চিত হতে হয়। 


তবে সূত্রের খবর এমন নিন্দনীয় কাজ করলেও দ্বাম্ভিক এই সরকারী কর্মকর্তার মধ্যে বিন্দুমাত্র অনুসূচনা বোধ নেই। বরং বলে বেড়াচ্ছেন যা করেছেন ভালোর জন্য করেছেন বলেও একাংশের অভিযোগ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ