পরিবেশ রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখছে ইউথ ফর ইন্টিগ্রেসন





আগরতলা: নির্বিচারে বন ধ্বংশ করা ও বনজ সম্পদ আহরনের ফলে প্রকৃতিতে এর বিরোপ প্রভাব পড়ছে, বাড়ছে ভূষ্ঞায়ন।

প্রকৃতির উপর মানুষের ধ্বংশ লিলার কারণে সৃষ্টি হচ্ছে বৈরী আবহাওয়া এর জেরে বৃষ্টিপাত কম হচ্ছে, নদীতে পানি শুকিয়ে যাচ্ছে।  আবার হঠাৎ করে অতিবৃষ্টির কারণে বন্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

সাধারণ মানুষকে এই সমস্যার বিষয়ে স্বচেতন করা এবং কি করে প্রকৃতির ক্ষতি না করে বনজ সম্পদ আহরণ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করা যায় এই বিষয়ে ত্রিপুরা রাজ্যের বিভিন্ন গ্রামীন ও পাহাড়ী এলাকায় গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের অবগত করছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ইউথ ফর ইন্টিগ্রেসন। এই সংস্থার সদস্যরা সকলে অন্যান্য পেশার সঙ্গে যুক্ত এরপরও তাদের নিত্য দিনের কাজের পর সময় বের করে পরিবেশ রক্ষায় কাজ করছেন।



সংস্থার সদস্য বিভূতি দেববর্মা  জানান তাদের টিমের সদস্যরা রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে ঐ এলাকার বাসিন্দাদের, বিশেষ করে যাদের জীবন বন নির্ভর তাদের বুঝিয়ে দিচ্ছেন বন ধ্বংশের ফলে কি কি সমস্যা হবে এবং কি করে বন ধ্বংশ না করে জীবন যাপন করা যায় এই বিষয়ে তারা পরামর্শ দিচ্ছেন। তারা এই কাজ মূলত দুটি পদ্ধতিতে করে থাকে। প্রথমত গ্রামীন ও পাহাড়ী জনপদে গিয়ে সাধারন মানুষদের নিয়ে আলোচনা সভার মাধ্যমে এই বিষয় গুলি বুঝিয়ে দিচ্ছেন। পাশাপাশি নদী, ঝর্ণাসহ পানির উৎস রক্ষা ও বিজ্ঞান ভিত্তিতে তারা কি ভাবে বনজ সম্পদ আহরণ করতে পারে তা মাঠ পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে বুঝিয়ে দেন তারা। এই পর্যন্ত তারা রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা এমন ১০০টির বেশী আলোচনা সভার আয়োজন করেছেন বলেও জানান এবং সব গুলিই প্রায় প্রত্যান্ত পাহাড়ী এলাকার জনপদে। এই স্বচেতনতা মূলক আলোচনা সভায় তারা মহিলা ও কিশোরদেরও সামিল করেন।



শুধুমাত্র সাধারণ মানুষদের কে বুঝিয়েই তারা হাত গুটিয়ে বসে থাকেননি। নতুন বনায়ন সৃষ্টির জন্য তারা ঐসকল এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে ফলমূলসহ নানা প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করছেন। এই দুটি দিক থেকে উপকারী বলে জানান বিভূতি দেববর্মা। এই গাছ গুলি যেমন প্রকৃতিকে সবুজ ও নির্মল করে তোলবে পাশাপাশি গাছ গুলিতে উৎপাদিত ফল বিক্রি করে সাধারণ মানুষের হাতে বাড়তি অর্থ আসবে।

আগামী দিনেও তারা আরো বড়ো পরিসরে এমন কাজ চালিয়ে যাবেন বলেও জানান বিভূতি দেববর্মা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ