সুদীপ্তার হাতের জাদুতে ফেলনা সামগ্রী হয়ে উঠে অপূর্ব সুন্দর


আগরতলা: ফেলনা জিনিষ যে ফেলনা নয়, তা দিয়ে অন্য সুন্দর সুন্দর গৃহস্বজ্জার সামগ্রী ও উপহার তৈরি করা সম্ভব তার প্রমাণ আগরতলার ধলেশ্বর এলাকার বাসিন্দা সুদীপ্তা পাল। দুই ছেলে এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে বেশ আনন্দেই আছেন তিনি। সংসারের কাজ শেষে নিজের একান্ত সময় তিনি কাটান এই সকল সামগ্রী তৈরি করেন নিজেই জানালেন একথা। 


কোথা থেকে শিখলেন এই কাজ, এর জন্য কি কোন প্রথাগত প্রশিক্ষন নিয়েছেন? এর উত্তরে তিনি জানান না কোন প্রশিক্ষন নেননি। ছোট বেলা থেকেই তার সুন্দর সুন্দর জিনিষ তৈরির সখ। হয়তো কোথায় গিয়ে কোন জিনিষ দেখলেন তা তার নজর কাড়লো। বাড়ী ফিলে তা তৈরির চেষ্টা করতেন। তাছাড়া এই সামগ্রীটাকে আরো বেশী সুন্দর করা যায় তার জন্য নিজের মতো করে এতে অন্যান্য সামগ্রী জুড়তেন। আবার একটি জিনিষ হয় তো কোথাও দেখেছেন তার ডিজাইনটা মনে ধরেছে তা তিনি নিজের মত করে ফেলনা সামগ্রী দিয়ে তৈরি করেন। 

ঘরের কাজ করতে করতে মাথায় নতুন কিছু একটি সামগ্রী তৈরির নক্সা এলো তা তিনি কাগজ কলমে একে রাখেন ও পরে তা তৈরি করেন বলেও জানান। কি কি তৈরি করেন? তার হাতে জাদুতে সামন্য লজেন্সের প্যাকেট হয়ে উঠে ট্যডিবিয়ারের জামা, দৃষ্টি নন্দন টেবিল টপ আরো কতকি। শুধু এখানেই শেষ নয় শুচি শিল্পেও পটু সুদীপ্তা। তিনি নিজের মত ডিজাইন দিয়ে তৈরি করেন নকশিকাথা, কুর্তিসহ জামা কাপড়ের ডিজাইন করে থাকেন। 

তাছাড়া কাঁচের মধ্যে বিভিন্ন রঙের চিপসের প্যাকেট কেটে তৈরী করেন ময়ূর, ফুলের গাছসহ আরো কত কি।


এগুলি তৈরি করে কি করেন? বিক্রি করেন কি? এর উত্তরে তিনি বলেন সম্পূর্ণ শখের বসে অবসর কাটানোর মাধ্যম হিসেবে এগুলি তৈরি করেন তাই ব্যবসা করার কোন ইচ্ছে নেই। মূলত নিজেদের আত্মীয় পরিজনকে উপহার হিসেবে তোলে দিতে তিনি এগুলি তৈরি করেন। বিবাহ, জন্মদিনসহ অন্যান্য অনুষ্ঠানে নিজের হাতে তৈরি সামগ্রী উপহার হিসেবে তোলে দিতে তার পছন্দ। এই সামগ্রী দেখে যখন অন্যান্যরা তারিফ করে তখন তার খুব ভালো লাগে বলে জানান। উপহার দেখে অনেকেই আবদার করে তৈরি করে দেওয়ার জন্য, তখন তাদের আবদার রাখতে তৈরি করেদেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ