সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি
Spread the love

মজাদার স্প্যানিশ ওমলেট রান্নার রেসিপি

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি|বন্ধুরা আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি খুবই সহজ একটি ডিমের যার নাম স্প্যানিশ ওমলেট (Spanish Omlette)। স্প্যানিশ অমলেট তৈরি করা যেমন সহজ খেতেও তেমনি সুস্বাদু। এর আগে আপনারা দেশীয় পদ্ধতিতে অনেকবার অমলেট তৈরী করে খেয়েছেন কিন্তু স্প্যানিশ ওমলেট আমাদের দেশীয় অমলেট এর থেকে সম্পূর্ন আলাদা। এটি রান্না করতেও খুব বেশী উপকরণ এর দরকার হয় না।

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি|এই অমলেট বাঙালিদের কাছে একদমই নতুন একটি রান্নার রেসিপি। আপনি বাড়িতে এটি তৈরি করে আপনার বাড়ির লোকদের সারপ্রাইজও দিতে পারেন। স্প্যানিশ ওমলেট রান্না করতে মাত্র  5 থেকে 6 টি উপকরণ এর দরকার হয় যেমন ডিম, আলু, বাঁধা কপি ও পনির। তবে পনির ও বাঁধাকপি যদি হাতের কাছে না থাকে তবে শুধু আলু পেঁয়াজ ও ডিম দিয়েও এই রেসিপিটি রান্না করতে পারবেন। চলুন স্টেপ বাই স্টেপ এই রেসিপিটি তৈরি করা শিখে নিন।

উপকরণ:

  • ডিম 4 টি
  • মাঝারি সাইজের আলু 1টি
  • মাঝারি সাইজের পেঁয়াজ 2 টি
  • পনির 1/2 কাপ (অপশনাল)
  • বাঁধাকপি কাটা 1 কাপ (অপশনাল)
  • 1থেকে 2 টি কাঁচা লঙ্কা কুচি
  • গোল মরিচের গুঁড়ো 1/2 চা চামচ
  • লবন পরিমান মত
  • কাটা ধনিয়া পাতা 2 চা চামচ
  • ভাজার জন্য সাদা তেল

রান্নার রেসিপি প্রণালী:

  • প্রথমে পেঁয়াজ, আলু ও বাঁধাকপি ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। বাঁধাকপি আমরা রান্নার জন্য যেমন করে কাটি ঠিক তেমন সাইজ করেই  পেঁয়াজ ও আলু কাটবেন।
  • এবার কড়াইতে বা যেকোন ফ্রাইং প্যানে 2 চামচ মত তেল দিয়ে গরম করুন। তেল গরম হলে ওর মধ্যে  পেঁয়াজ,আলু, বাঁধাকপি ও লঙ্কা কুচি দিয়ে হাল্কা লাল করে ভাজুন। ভাজার সময় লবন দিতে ভুলবেন না যেন। ভাজা হয়ে গেলে এগুলি কড়াই থেকে তুলে সাইডে রাখুন।
  • এবার একটি বাটিতে 4 টি ডিম ফেটিয়ে নিন। ডিমের মধ্যে কাটা ধনিয়া পাতা, গোল মরিচের গুঁড়ো ও একটু লবন দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন।
  • এখন ডিমের মধ্যে ভেজে রাখা পেঁয়াজ -আলু ও বাঁধাকপির মিশ্রণ  ও ছোট করে কেটে রাখা পনিরের টুকরো যোগ করে ভালমিশিয়ে নিন।
  • এবার একটি ফ্লাট প্যানে বা ফ্ল্যাট কড়াইতে 2 থেকে তিন চামচ তেল দিয়ে গরম করুন। তেল যেন কড়াইয়ের নিচের অংশে সব যায়গায় ভালোভাবে লাগে। তেল গরম হলে ওর মধ্যে  ডিমের মিক্সার দিয়ে ভালোভাবে সব যায়গায় সমানভাবে ছড়িয়ে দিন। এবার লো ফ্লেমে এটি জ্বাল দিন। ফ্লেম বাড়িয়ে দিলে কিন্তু ভিতরে ঠিকভাবে রান্না না হয়েই নিচে জ্বলে যেতে পারে ।
  • চার থেকে 5 মিনিট পর এটি খুব সাবধানে উল্টে দিন যাতে ভেঙে না যায়। সাবধানে উল্টানোর জন্য একটি প্লেট, ফ্রাইং প্যানের উপর রেখে প্যান উল্টে দিন। দেখবেন ওমলেট ওই প্যানের থেকে প্লেটে চলে এসেছে। এবার প্লেট থেকে এটি পুনরায় ফ্রাইং প্যানে দিন। যে পাশ আগে ভাজা হয়ে গেছে সেই সাইড উপরে দিন।
  • এবার আরো 4 থেকে 5 মিনিট ভাজার পর এটি কড়াই থেকে নামিয়ে নিন। একটি  চাকু দিয়ে পিৎজা সাইজের করে কেটে সার্ভ করুন।
১৮ টি সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি.
omlet
১৮ টি সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি

সর্ষে বাটা দিয়ে মাছের ঝাল রান্নার রেসিপি

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি|মাছ বাঙালির একটি অন্যতম প্রিয় খাবার। বাঙালিদের বলা হয় মাছে ভাতে । সর্ষে বাঁটা দিয়ে মাছের ঝাল (ঝোল) খুবই জনপ্রিয় একটি বাঙালিয়ানা খাবার। বলতে পারেন এটি একটি ট্রাডিশনাল বাঙালি রান্নার রেসিপি।

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি|মাছের ঝাল রান্না করার জন্য যে তিনটি প্রধান উপকরণ দরকার তা হল মাছ,সর্ষে বাটা বা পাউডার, এবং পোস্ত বাটা। সর্ষের সঙ্গে পোস্ত বাটা যোগ করলে রেসিপিটি স্বাদ দ্বিগুন হয়ে যায়। তবে হাতের কাছে পোস্ত না থাকলে শুধু সর্ষে দিয়েও এই মাছের ঝোল রান্না করতে পারবেন।

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি|রান্না করতে ইলিশ মাছ, কাতলা মাছ, বাটা মাছ , রুই মাছ বা আপনার পছন্দ অনুযায়ী মাছ ব্যবহার করতে পারেন। চলুন দেখে নেওয়া যাক সর্ষে দিয়ে মাছের তরকারী কিভাবে রান্না করতে হয়।

মাছের ঝোল রান্নার রেসিপি উপকরণ

  • মাছ ১ কেজি (রুই, কাতলা, ইলিশ বা আপনার পছন্দ অনুযায়ী মাছ নিন )
  • সর্ষে বাঁটা বা পাউডার 1/2 কাপ 
  • পোস্ত বাঁটা ৩-৪ চা চামচ 
  • বড় সাইজের টমেটো কুচি ১ টি 
  • কাঁচা লঙ্কা বাটা বা কাটা (পরিমানমত)
  • লাল লংকার গুড়ো ১ চা চামচ 
  • হলুদ গুঁড়ো পরিমানমত 
  • গোটা জিরা ১ চা চামচ 
  • তেঁজপাতা ৩ টি 
  • জিরা বাটা বা পাউডার ৩ চা চামচ 
  • চিনি ১ চা চামচ 
  • আদা বাটা ২ চা চামচ 
  • সর্ষের তেল পরিমানমত 
  • ধনেপাতা কুচি ১/৩ কাপ 

সর্ষে মাছের ঝাল রান্নার রেসিপি প্রণালী  

  • প্রথমে মাছ গুলো ভালোভাবে ধুয়ে নিন। এবার এতে হলুদ গুঁড়ো, লবন ও ১ চামচ সর্ষের তেল ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। কড়াইতে পরিমানমত সর্ষের তেল দিয়ে গরম করুন। এবার মাছগুলো এপাশ ওপাশ হাল্কা লাল করে ভেজে নিন। মাছ ভাজা হয়ে গেলে সাইডে রাখুন। 
  • মাছ ভাজা হয়ে গেলে যে অবশিষ্ট তেল কড়াইতে থাকবে ওর মধ্যেই জিরা ও তেজপাতা ফোড়ন দিন। জিরা ও তেজপাতা হালকা লাল হলে ওর মধ্যে পোস্ত বাটা, জিরা বাটা, লঙ্কা বাটা, আদা বাটা দিয়ে ৩-৪ মিনিট কষিয়ে নিন। 
  • এরপর এর সঙ্গে লংকার গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, টমেটো কুঁচি, চিনি ও পরিমান মত লবন দিয়ে ৫-৭ মিনিট বা মশলা হালকা লাল ও গাড় হওয়া পর্যন্ত কষিয়ে নিন। (মনে রাখবেন মশলা কষানো হলে ওর থেকে খাবারের সুগন্ধ বের হতে শুরু করবে।)
  • এবার এর সাথে দুই গ্লাস জল যোগ করে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। ঝোল যখন ভালোভাবে ফুটতে শুরু করবে তখন এক এক করে ওর মধ্যে মাছ গুলো দিয়ে দিন। মাছগুলো ঝোলের মধ্যে ডুবিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন।
  • ঢাকা অবস্থায় ৫-৬ মিনিট ভালোভাবে উচ্চ তাপে জ্বাল হতে দিন। ৫-৬ মিনিট পর ঢাকনা তুলে ঝোল গাড় হয়ে গেলে ওর মধ্যে সর্ষে বাটা বা পাউডার একটু খানি ঝোল তুলে নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে ওর মধ্যে দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে দিন। 
  • এরপর আরো পাঁচ মিনিট মত জ্বাল দিন। যখন দেখবেন ঝোল গাঢ় হয়ে গেছে এবং সুন্দর সর্ষের গন্ধ বের হচ্ছে তখন লবন টেস্ট করে নিন। লবন ঠিক থাকলে ধনেপাতা কুচি যোগ করে নামিয়ে নিন। 
  • আমরা এই রেসিপিটিতে পেঁয়াজ ও রসুন দিই নি। আপনারা চাইলে পেঁয়াজ ও রসুন দিয়েও এই মাছের ঝালটি রান্না করতে পারেন। তবে পেঁয়াজ রসুন ছাড়াই এটির স্বাদ অত্যন্ত লোভনীয় ও সুস্বাদু। 
  • মশলা কষানোর সময় but মনে রাখবেন, ওর থেকে যতক্ষণ না পর্যন্ত সুন্দর গন্ধ বের হয় বা মশলা লাল ও গাঢ় না হয় ততক্ষন পর্যন্ত কষিয়ে নিন। 
  • ঝাল and লবন আপনার স্বাদ অনুযায়ী দেবেন। লবন-ঝাল একটু টানটান হলেই খেতে ভালো লাগে। 
  • মাছে ঝোলের পরিমান আপনার পছন্দ অনুযায়ী রাখবেন। 
১৮ টি সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি
fish

চিকেন পকোড়া রান্নার রেসিপি

 সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি|বন্ধুরা আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি মজাদার চিকেন পকোড়া রান্নার রেসিপি। মুরগির পকোড়া ভারত, বাংলাদেশ সহ দক্ষিন এশিয়ার বিভিন্ন দেশে খুবই জনপ্রিয় একটি খাবার। বাড়িতে খুব সহজেই আপনারা রান্না  করতে পারেন এই রান্নার রেসিপি।

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি|এই স্ট্রিট ফুডটি  তৈরি করতে হয় মূলত দুটি ধাপে। প্রথমে মুরগির মাংস মশলা, দই, এবং ডিম্ দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হয়। এই পদ্ধতিকে মেরিনেশন বলে। তারপর এই মেরিনেট করা মাংস গুলিকে ডুবো তেলে ভাঁজতে হয়।

চিকেন পকোড়া – Bengali Chicken Pakora

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি|চিকেন পকোড়া একটি মজাদার চিকেন স্ন্যাকস। এটি খুব জনপ্রিয় একটি খাবার যা ভারতীয় উপমহাদেশে ভীষণ ভাবে প্রচলিত। খুব সহজেই বাড়িতে যে কেউ তৈরী করতে পারেন মজাদার মুরগির পকোড়া। চলুন দেখে নেওয়া যাক Bengali Chicken Pakora Recipe.

Equipment

  • কড়াই
  • বড় সাইজের বাটি

Ingredients

তৈরী করার উপকরণ

  • ৫০০ গ্রাম চিকেন (মুরগির মাংস)
  • ২ চামচ আঁদা রসুন বাটা
  • ১ চামচ লাল লংকার গুঁড়ো
  • ১ মুঠো কাটা ধনিয়া পাতা
  • ১ টি কাটা পেঁয়াজ
  • ১ চামচ গোল মরিচের গুড়ো
  • ১/২ চামচ হলুদের গুঁড়ো
  • ১ কাপ চালের গুঁড়ো বা ময়দা অথবা বেসন
  • ২ টি কাঁচা লঙ্কা (কুচি করে কাটা)
  • ২-৩ চামচ টক দই
  • ১/২ চামচ গরম মশলার গুঁড়ো
  • ১ টি ডিম্ ভালোভাবে ফেটিয়ে নিন
  • ২ চামচ কর্নফ্লোর (অপশনাল)
  • লবন পরিমান মত
  • ভাজার জন্য পরিমান মত তেল

Instructions

চিকেন পকোড়া রান্নার রেসিপি পদ্ধতি

  • প্রথমে চিকেন ভালোভাবে ধুয়ে and ছোট ছোট টুকরো করে কাটুন। ১ ইঞ্চি টুকরো বা কিউব সাইজ করে কেটে নিন
  • এবার চিকেন একটি পাত্রে নিন এবং উপরে বলা সমস্ত উপকরণ এর সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন
  • এবার এই মশলা যুক্ত চিকেন গুলিকে মেরিনেট করার জন্য ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে দিন
  • একটি কড়াইতে তেল ঢেলে মধ্যম আচে গরম করুন। তেল গরম হয়ে গেলে একটুখানি মশলা বা এক টুকরো মুরগির মাংস ওর মধ্যে ছেড়ে দেখুন। যদি এটি লাল না হয়ে ভেসে ওঠে তবে তেল সঠিক ভাবে গরম হয়েছে।
  • এবার একটি একটি করে চিকেন তেলের মধ্যে ছাড়ুন।এক সাথে ৭ থেকে ৮ টি মুরগির মাংস একসাথে ভাজুন। তেল একটু বেশি দেবেন যাতে মাংসের টুকরোগুলো ভালোভাবে ডুবতে পারে।
  • ভাজার সময় মাঝে মাঝে এগুলি নাড়িয়ে নিন যাতে সব দিক ভালোভাবে ভাজা হয়।
  • মাংসের টুকরোগুলি লাল বা তামাটে রংয়ের হয়ে আসলে এগুলি নামিয়ে একটি ঝাঁজরি এর উপরে রাখুন যাতে অতিরিক্ত তেল ঝরে যায়
  • এবার গরম গরম মুরগির পকোড়া টমেটো সসের সাথে উপভোগ করুন।
১৮ টি সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি
pokora
fried chicken nugget ball

পাকা আমের নোনতা-মিষ্টি রান্নার রেসিপি

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি|আম নিয়ে কথা বলতে আরম্ভ করলে চট করে শেষ হবে না। আপাতত স্রেফ এটুকু জেনে রাখুন যে আপনার নানা শারীরবৃত্তীয় কাজকর্ম ঠিকভাবে করার জন্য যতটা ভিটামিন সি প্রয়োজন, তার অনেকটার জোগান মেলে আম থেকে। তাই ওজন বাড়ার ভয় না পেয়ে নিশ্চিন্তে তা খেতে পারেন। তবে অনেকেই বলেন যে দিনের আলো থাকতে থাকতেই ফল খাওয়ার পাট চুকিয়ে ফেলা উচিত, তাতে হজমের সমস্যা এড়ানো সম্ভব হয়। তেমনটা করে দেখতে পারেন।

আমের মালপোয়া রান্নার রেসিপি

উপকরণ
200 গ্রাম ময়দা
1 চাচামচ মৌরি
1 চাচামচ ছোটো এলাচ
1 কাপ ঘি
250 মিলি জল
50 গ্রাম খোয়া ক্ষীর
100 গ্রাম সুজি
½ চাচামচ বেকিং পাউডার
500 মিলি দুধ
250 গ্রাম চিনি
100 মিলি আমরস
সামান্য জাফরান

রান্নার রেসিপি পদ্ধতি
সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি|প্রথমে চিনির রস তৈরি করতে হবে।
গভীর পাত্রে চিনি আর জল দিয়ে কম আঁচে গ্যাসে চাপান।
চিনি পুরো গলে যাওয়া পর্যন্ত নাড়তে হবে।
এবার উপর থেকে এক চাচামচ দুধ দিন।
রস ফুটে উঠে চিনি গাদ বা ময়লা বেরোবে, সেটা উপর থেকে ফেলে দিন।
স্বচ্ছ কাচের মতো রস ফুটে ফুটে গাঢ় হলে নামিয়ে সরিয়ে রাখুন।
এবার মালপোয়া ব্যাটার তৈরির পালা।
শুকনো পাত্রে সুজি, ময়দা, খোয়া ক্ষীর, মৌরি, ছোটো এলাচের গুঁড়ো, দুধ ভালো করে মিশিয়ে একটা ব্যাটার বানান।
হাতা করে ঢাললে মসৃণভাবে নিচে পড়ছে কিনা দেখে নেবেন। একটুক্ষণ রাখুন, তাতে ফ্লেভারটা তৈরি হবে।
তার পর ছোটো কড়ায় ঘি গরম করে হাতা ভরা মালপোয়া দিয়ে ভেজে নিন এক এক করে।
ঘি ঝরিয়ে নিয়ে রসে ডুবিয়ে রাখুন মিনিট দশেক।
তার পর তুলে নিয়ে উপরে আমরস মাখিয়ে নিন ভালো করে।
পরিবেশনের আগে ইচ্ছেমতো সাজিয়ে নিতে হবে। বাদাম, পেস্তা, গুলকন্দ ব্যবহার করতে পারেন সাজানোর জন্য।

আম, হালাপেনো, চিজ পকেট রান্নার রেসিপি

উপকরণ
200 গ্রাম ছানা
100 গ্রাম প্রসেসড চিজ
20 গ্রাম হালাপেনো লঙ্কা
50 গ্রাম পাকা আমের টুকরো
2 গ্রাম চিলি ফ্লেক্স
1 গ্রাম শুকনো অরিগ্যানো
স্বাদ অনুযায়ী নুন
5 গ্রাম গোলমরিচের গুঁড়ো
20 গ্রাম তাজা ধনেপাতা
3টি আটার রুটি

রান্নার রেসিপি পদ্ধতি
সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি|একটা শুকনো পাত্রে খুব মিহি করে ছানা আর চিজ কুরে নিন।
হালাপেনোর বীজ ফেলে দিন, তার থেকে বাড়তি জলটাও ফেলে দিন নিংড়ে।
এটা ছানার মিশ্রণে যোগ করে দিন।
আম বাদে বাকি সব উপকরণ মেশান।
নুন-মরিচ যোগ করে দেখে নিন স্বাদ ঠিক আছে কিনা।
তার পর ছোটো ছোটো করে কাটা আম মেশান।
এবার একটা রুটি নিন, তার মাঝে এই মিশ্রণ ভরুন। রুটি ভাঁজ করে ময়দার গোলা দিয়ে বন্ধ করুন মুখ।
তার পর মাঝারি আঁচে পার্সেল ভেজে নিন ডুবো তেলে, আঁচ খুব বাড়াবেন না।
রুটি মচমচে হলে নামান।
উপর থেকে চিজ ছড়িয়ে টুকরো করে কেটে পরিবেশন করুন।

দুই বাংলার স্বাদ ঘুরছে মার্কুইস লেনের ইছামতীর তীরে

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি|মার্কুইস লেনের মুখটায় ঢুকতে গেলেই রান্নার গন্ধ ঝাপটা মারে নাকে। গলির মুখেই নামকরা বাঙালি রেস্তরাঁ। রগরগে তেল-ঝালের গন্ধ নাকে মেখে ওই রাস্তা বরাবর কিছুটা এগিয়ে গেলে ১৬ নম্বরে এসে থমকাতেই হবে আপনাকে। কারণ, তখন রান্নার জুতসই গন্ধটা তত ক্ষণে আরও তীব্র হয়েছে। অসংখ্য পাইস হোটেলের মাঝে বেশ বড়সড় একটা রেস্তরাঁ। দুই বাংলার রান্নার মেনু সাজিয়ে রেখেছে টেব্‌লে। চিংড়ি পকোড়া, কচুপাতা চিংড়ি, মাটন ভুনার পাশে এদের বিখ্যাত পদ ‘খাসির পায়া’।

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি । লকডাউনের পর আবার খুলবে সম্প্রতি। স্যানিটাইজার, মাস্ক, গ্লাভস, শরীরের তাপমাত্রা মাপা— কোভিড-পরবর্তী সব রকম সচেতনতাই তাঁরা নেবেন। মাস্ক না পরলে ঢুকতে দেওয়া হবে না নতুন নিয়মে। হাতে স্যানিটাইজার দিয়ে তবেই প্রবেশ করতে পারবেন রেস্তরাঁয়। খাবার টেব্‌লেও স্যানিটাইজার রাখা থাকছে। আপনার সামনেই থালা-বাসন স্যানিটাইজ করে তবে তাতে খেতে দেওয়ার নতুন অভ্যাস রপ্ত করে ফেলছে ইছামতী।

|এমনিতে প্রতি দিন তিন বেলা খোলা থাকে এই রেস্তরাঁ। সকালে জলখাবার মেলে ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত। এর পর দুপুরে ১২ টা থেকে ৪টে ও সন্ধে ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত রেস্তরাঁ খোলা থাকবে। দু’জন খাওয়ার মোট খরচ কর-সহ ৫০০ টাকা। এই ইছামতীরই দুই বিখ্যাত পদের ভাগ করে নিলেন সেখানকার শেফরা। সহজ উপাদানে বানানো এই রান্নাগুলো আনলকডাউন পর্বেও সারতে পারেন বাড়িতে। 

১৮ টি সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি
mango

চিংড়ি পকোড়া রান্নার রেসিপি

উপকরণ

চিংড়ি: ১০০ গ্রাম

পেঁয়াজ: ৫০ গ্রাম

লঙ্কা কুচি: ২৫ গ্রাম

সাদা তেল:  ২৫০ গ্রাম

চিনি: ২৫ গ্রাম

নুন: ২৫ গ্রাম

বেকিং সোডা: ২৫ গ্রাম

ধনে পাতা কুচি: ২৫ গ্রাম

চালের গুঁড়ি: ২৫ গ্রাম

রান্নার রেসিপিপ্রণালী:

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি |প্রথমে ১০০ গ্রাম চিংড়ি মাছ ভিনিগারে ভিজিয়ে কিছু ক্ষণ রেখে দিন। তার পর চিংড়ি মাছগুলিকে ছোট ছোট করে কেটে তাতে নুন, চিনি, কাঁচা লঙ্কা কুচি, ধনে পাতা কুচি দিয়ে ভাল করে মেখে নিন। তার মধ্যে বেকিং পাউডার ও চালের গুঁড়ি মিশিয়েএকে গোল বলের আকারে গড়ে নিতে হবে। এ বার কড়ায় তেল গরম হলে চিংড়ির বলগুলো বাদামি করে ভেজে কাসুন্দির সঙ্গে পরিবেশন করুন। সঙ্গে চা থাকলে বিকেলের আড্ডায় জলযোগ নিয়ে আর ভাবতে হবে না।

১৮ টি সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি
chingri

কচুপাতা চিংড়ি রান্নার রেসিপি

উপকরণ

দুধ-কচু পাতা: ২ আঁটি

নুন: ৫০ গ্রাম

চিংড়ি মাছ: ২৫০ গ্রাম

হলুদ: ২৫ গ্রাম

পোস্ত: ৫০ গ্রাম

চারমগজ: ১০০ গ্রাম

সাদা তেল: ২০০ গ্রাম

সরষের তেল: ১০০ গ্রাম

কাঁচা লঙ্কা বাটা: ৫০ গ্রাম

চিনি: ২৫ গ্রাম

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি |প্রণালী:প্রথমে দুধ-কচু পাতাগুলোকে ভাল করে সেদ্ধ করে নিন। তার পর চিংড়ি মাছ সাদা তেলে একটু ভেজে নিয়ে তার মধ্যে নুন-লঙ্কা বাটা-পোস্ত দিয়ে ভাল করে কষিয়ে চারমগজ দিয়ে দিন। এর পর পাতাগুলো থেকে ভা করে জল ঝরিয়ে রাখুন। ভাল করে কষিয়ে কিছু ক্ষণ রেখে দেওয়ার পর সর্ষের তেল উপর ছড়িয়ে দিন। গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

১৮ টি সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি
kochu chingi

বাড়িতে বানান সুস্বাদু শিঙাড়া রান্নার রেসিপি

আলু-ফুলকপির শিঙাড়া রান্নার রেসিপি

উপকরণ
খোলের জন্য
1 বড়ো কাপ ময়দা
2 টেবিলচামচ ঘি
মাখার জন্য গরম জল

পুরের উপকরণ
1 কাপ সেদ্ধ আলুর টুকরো
½ কাপ ভাপানো ফুলকপির টুকরো
½ কাপ কড়াইশুঁটি ভাপা
1 চাচামচ ভরা কিশমিশকুচি
1 চাচামচ ভরা কাজুকুচি
½ চাচামচ হলুদগুঁড়ো
½ চাচামচ লঙ্কাগুঁড়ো
½ চাচামচ গরমমশলাগুঁড়ো
সামান্য গোটা জিরে
সামান্য গোটা ধনে
½ চাচামচ আদাকুচি
স্বাদ অনুযায়ী নুন ও মিষ্টি
ভাজার জন্য সাদা তেল

পদ্ধতি
প্রথমে ময়ান দিয়ে ময়দা মেখে নিন ভালো করে, অল্প কালো জিরেও দেওয়া যায়।
কাপড় চাপা দিয়ে সরিয়ে রাখুন।
কড়ায় অল্প তেল দিয়ে গরম করুন।
তারপর জিরে আর ধনে ফোড়ন দিন।
সুগন্ধ বেরোলে আদাকুচি ছাড়ুন।

আরো পড়ুন:- 14 টি সেরা বাংলার রান্নার রেসিপি|


আলু, ফুলকপি, কড়াইশুঁটি, বাদাম, কিশমিশ, নুন-মিষ্টি দিয়ে কষে নিন ভালো করে।
একটু ধনেপাতা দিতে পারেন।
এবার ময়দা থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে বেলে নিন।
অর্ধেক করে কেটে শিঙাড়ার মতো গড়ে পুর ভরুন।
একটু জলহাত করে মুখটা চেপে লাগান।
সবগুলো গড়া হলে ছাঁকা তেলে ভাজুন।
অল্প তাত বসিয়ে পরিবেশন করুন।

১৮ টি সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি
singara

খুব সহজে রান্না হবে এই সুগন্ধি পোলাও

জ়াফরান ভাত রান্নার রেসিপি

উপকরণ
2 কাপ বাসমতী চাল
5 টেবিলচামচ ঘি
2টি মাঝারি মাপের পেঁয়াজ কুচিয়ে নিন
1 টেবিলচামচ গরম মশলা গুঁড়ো
নুন স্বাদ মতো
50 গ্রাম চিনি
20 গ্রাম কাজুবাদাম কুচি
20 গ্রাম কিশমিশ
গরম দুধে ভেজানো এক চিমটে জ়াফরান

পদ্ধতি
চাল ধুয়ে নিন এবং অন্তত 20 মিনিট জলে ভিজিয়ে রাখুন। ঘণ্টাখানেক রাখলে সবচেয়ে ভালো হয়।
তারপর চালের জল ঝরিয়ে নিন।
পোলাও রান্নার পাত্রে ঘি গরম করে তাতে কুচনো পেঁয়াজ এবং গরম মশলা গুঁড়ো দিয়ে ভাজুন, যতক্ষণ না পেঁয়াজ বাদামি রঙের হচ্ছে।
এবার এতে ভেজা চাল দিয়ে পাঁচ মিনিট ভাজুন।
পরিমাণ মতো জল এবং নুন দিয়ে ভালো করে ফোটাতে থাকুন।
এরপর রান্নাতে চিনি, কাজু বাদাম, কিশমিশ এবং জ়াফরান ভেজানো দুধ দিন।
ভালো করে নেড়ে ঢাকা দিয়ে রান্না করুন।
গরম গরম পরিবেশন করুন।
আমিষ তো বটেই, ফুলকপির রোস্ট বা ছানার ডালনার মতো কোনও নিরামিষ পদের সঙ্গেও দারুণ উপাদেয়।

১৮ টি সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি
polau

দোলের দিন নেশাধরানো ঠান্ডাই ছাড়া চলে?

হোলি স্পেশাল ঠান্ডাই রান্নার রেসিপি

উপকরণ
30 মিলি ভদকা
30 মিলি হোয়াইট রাম
30 মিলি জিন
30 মিলি ঠান্ডাই সিরাপ
60 মিলি ঠান্ডা দুধ
10 গ্রাম পেস্তাকুচি
100 গ্রাম বরফ

পদ্ধতি
সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি |সব ক’টা উপকরণ একসঙ্গে একটা বড়ো মুখ ঢাকা পাত্রে খুব ভালো করে মিশিয়ে নিন ঝাঁকিয়ে ঝাঁকিয়ে।
লম্বা পিলসনার গ্লাসে ঢেলে উপরে পেস্তাকুচি সাজিয়ে দিন।
একেবারে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।
দুধটা ফুল ক্রিম হলে খেতে ভালো হয়।

১৮ টি সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি
cool lossi

সহজ ফ্রাইড রাইস রান্নার রেসিপি

|রান্না ব্লগে আপনাদের স্বাগত। বন্ধুরা আজকের রেসিপিতে  আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব “ফ্রাইড রাইস বানানোর উপায়”। ফ্রায়েড  রাইচ মূলত একটি  তবে Fried Rice পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে একটু মডিফায়েড করে বিভিন্ন ভাবে রান্না করা হয়। ফ্রাইড রাইস অনেক প্রকারের হয় যেমন, Vegetable fried rice, এগ ফ্রাইড রাইস, Chicken fried rice, মিক্স ফ্রাইড রাইস ইত্যাদি।

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি |আজকের রেসিপিতে আমি যে ফ্রাইড রাইস রেসিপিটি শেয়ার করব এটি ফলো করলে আপনি ডিম্, মাংস এবং ভেজ তিন প্রকার ফ্রাইড রাইচ তৈরি করতে পারবেন। চলুন দেরি না করে দেখে নেওয়া যাক ফ্রায়েড  রাইচ রান্না করতে কিকি উপকরণের দরকার হয় ও কিভাবে তৈরী করতে হয়।

Ingredients to Make fried rice-ফ্রাইড রাইস  বানানোর উপকরণ :

ফ্রায়েড রাইচ বানাতে যে উপকরণ গুলি লাগবে তা হল –

  • সরু সিদ্ধ চাল ৫০০ গ্রাম
  • ডিম্ দুটি
  • ৩-৪ টি পেঁয়াজ একটু মোটা করে কাটা
  •  আঁদা কুচি ১  চা চামচ
  • রসুন কুচি ১ চা চামচ
  • রকমারি সবজি (ফুলকপি, ফ্রেঞ্জবিন, বরবটি , গাজর, মটরশুঁটি, ক্যাপসিকাম, বিট ইত্যাদি। সব্জিগুলি কিউব আকারে বা লম্বা করে কাটুন এবং
  •  ফোড়ন দেওয়ার জন্য আস্ত জিরা ১ চা চামচ
  •  নুন স্বাদমত
  • রান্নার তেল পরিমান মত
  • কাঁচা লঙ্কা ৩ থেকে ৪ টি , লঙ্কা স্লাইস আকারে কেটে নিন।

How to cook Fried Rice-ফ্রায়েড রাইচ প্রস্তুত রান্নার রেসিপি প্রণালী :

  • প্রথমে বাসমতি চাল নিয়ে ভালোকরে ধুয়ে ঝরঝরে করে ভাত রান্না করুন। মনে রাখবেন ভাত যেন বেশি নরম বা বেশি শক্ত না হয়। তাহলে স্বাদ  খারাপ হয়ে যাবে।
  • অপর একটি পাত্রে ফুটন্ত গরম জলে সমস্ত সব্জি দু মিনিট ডুবিয়ে তুলে নিন যাতে সব্জিগুলি নরম হয়ে যায়। এবার এগুলি আলাদা পাত্রে এমন ভাবে রাখুন যাতে সব্জিতে কোন জল না থাকে।
  • এবার একটি কড়াই বা ফ্রাইং প্যানে ডিম্ ঝুরঝুরে করে ভেজে নিন। ডিম্  ভাজা হয়ে গেলে আলাদা করে রেখে দিন।

আরো পড়ুন:- করোনা সচেতনতায় গর্ভবতীরা কি করবেন, জেনেনিন|

  • এরপর কড়াইতে পরিমান মত তেল দিয়ে কেটে রাখা সবজি গুলি হালকা ভেজে তুলে নিন।
  • এবার কড়াইতে তেল নিয়ে প্রথমে জিরা ফোড়ণ দিয়ে এক থেকে দু মিনিট নাড়ুন। তারপর পেঁয়াজ , রসুন কুচি, আদা কুঁচি ও  স্লাইস করে রাখা  লঙ্কা যোগ করে ভাজুন। পেঁয়াজ হালকা লাল হয়ে গেলে ওরমধ্যে ঝরঝরে  ভাত, ভেজে রাখা ডিম ও সব্জি যোগ করে ভালোকরে মিক্স করুন। তিন থেকে চার মিনিট নাড়িয়ে তারপর নামিয়ে নিন।
  • মনে রাখবেন ওর মধ্যে জল একদম দেবেন না তাহলে কিন্তু সবকিছু ঘেটে যাবে এবং স্বাদও খারাপ হয়ে যাবে।
  • ফ্রাইড রাইচ তৈরি হয়ে গেছে এবার এটি সয়া সস এবং ঝাল টমেটোর সস দিয়ে মিক্স করে নিলে আরো টেস্টি হয়ে যাবে।
  • যদি মাংস দিয়ে ফ্রাইড রাইস রান্না করতে চান তাহলে আগে থেকে মাংস ছোট ছোট টুকরো করে কেটে রান্না করে নেবেন। তার পর ঝোল ছাড়া শুধু মাংসের টুকরোগুলি ভাত যখন ফ্রাই করবেন তখন ওর মধ্যে যোগ করে দেবেন। ফ্রাইড রাইস ,মাছের ফ্রাই বা চপ কিংবা কাটলেট দিয়ে খেতে খুব ভালোলাগে।
১৮ টি সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি
fride rice

চিলি চিকেন বানানোর সহজ রান্নার রেসিপি

রেসিপি|ব্লগে আপনাদের স্বাগত। বন্ধুরা আজকে আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব ‘চিলি চিকেন ।  চিলি চিকেন একটি অত্যন্ত সুস্বাদু ইন্দো-চাইনিজ খাবার। যদিও এটি একটি চাইনিজ , তবে ভারতীয় উপ মহাদেশ সহ সারা পৃথিবীতেই এই খাবারটি ভীষণ জনপ্রিয়। “Chilli  Chicken Recipe”  তৈরি করা হয় মূলত হাড় বিহীন মুরগীর মাংস বা bonless chicken দিয়ে।

 সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি |খুব সহজেই বাড়িতে  তৈরি করা যায় এবং তৈরি করতে বেশি উপকরণেরও দরকার হয় না। নিরামিষ ভোজীরা এই রেসিপিটি  দিয়ে তৈরি করে থাকেন।  যাকে বলা হয় । “চিলি চিকেন রেসিপি বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেরই খুব পছন্দের ডিস।

রেস্টুরেন্টে যেভাবে এই রেসিপিটি রান্না করে আপনি বাড়িতেও সেভাবে এই রেসিপিটি রান্না করতে পারবেন। আসুন দেখে নেয়া যাক চিলি চিকেন রেসিপি করতে কিকি উপকরণের দরকার হয় ও কিভাবে রান্না করতে হয়।

Ingredients (উপকরণ) :

350 গ্রাম হাড়  বিহীন চিকেন (চৌকাকার করে কাটুন )
1 টি ডিম
1/2 কাপ Cornflour
1 চা- চামচ রসুন পেস্ট
1 চা-চামচ আদা পেস্ট
1 টেবিল চামচ লবণ
2 কাপ পেঁয়াজ, কাটা (গোল গোল করে স্প্রিং আকারে কাটুন)
2-3 টি কাঁচা লঙ্কা , ছোট করে কাটা অবস্থায়।
1 টেবিল চামচ সয়া সস
2 টেবিল চামচ ভিনেগার
1 টেবিল চামচ চিলি সস
1 টি ক্যাপসিকাম বা সিমলা মির্চি।
ভাজার জন্য তেল।

Making Process Of Chilli Chicken recipe (চিলি চিকেন তৈরি প্রণালী) : 

এবারে আসুন স্টেপ বাই স্টেপ দেখে নেয়া যাক কিভাবে চিলি চিকেন রান্নার রেসিপি তৈরি করবেন-

Step 1-

  • প্রথমে, চিকেন, ডিম, কর্নফ্লোর, আদা এবং রসুনের পেস্ট, ২ চা-চামচ লবণ এবং পরিমান মত জল মিশিয়ে নিন যাতে -মুরগীর মাংসের টুকরাগুলির উপর এই মিশ্রণগুলি ভালোভাবে লেগে থাকে এবং একটি আস্তরণ তৈরি হয় ।মাখা হয়ে গেলে এই মিশ্রণগুলি প্রায় 30 মিনিটের জন্য রেখে দিন।
  • এবার একটি কড়াইতে বা একটি প্যান এর মধ্যে তেল গরম করুন এবং উচ্চ তাপমাত্রায় মাংসের টুকরোগুলি এর মধ্যে দিয়ে দিন এবং একটু পর তাপমাত্রা কমিয়ে দিন। মাংসের টুকরোগুলি যতক্ষন পর্যন্ত হালকা লাল ও খাস্তা না হয়ে যায় ততক্ষন পর্যন্ত এগুলি ভাজুন। ভাজা হয়ে গেলে একটি কিচেন পেপার বা টিসু পেপারের উপর এগুলি রাখুন যাতে মাংসের গা থেকে অতিরিক্ত তেল শুষে নিতে পারে।
  • Step 2-
    অপর একটি কড়াইতে ২ টেবিল চামচ তেল নিয়ে গরম করুন। এবার গরম তেলে কাটা পেঁয়াজ ও কাটা ক্যাপসিকাম যোগ করুন এবং মিডিয়াম তাপমাত্রায় ভাজুন।
  • ক্যাপসিকাম ও  পেঁয়াজ ভাজা হয়ে আসলে ওর মধ্যে সবুজ কাটা লঙ্কা (মরিচ) যোগ করুন এবং এক মিনিটের জন্য নাড়ুন।
  • এবার এর মধ্যে পরিমান মত লবণ , সয়া সস, চিলি সস, ভিনিগার, এবং ভাজা মাংসের টুকরোগুলি যোগ করে ভালোভাবে নেড়ে সবকিছু মিক্স করুন।
  • এবার একটি পাত্রে নামিয়ে ওর উপরে পাতলা করে কাটা কাঁচা লংকার টুকরোগুলি ছড়িয়ে দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।
১৮ টি সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি
chiken pokora

চিকেন কষা রান্নার রেসিপি

Learn how to make Bengal,s famous chicken kosha recipe in bengali: ব্লগে আপনাদের স্বাগত। বন্ধুরা আজ আপনাদের সঙ্গে শেয়ার ভারত সহ সারা পৃথিবীতেই চিকেন বা মুগীর মাংস দিয়ে নানা রকম রেসিপি তৈরি করা হয়। চিকেন বা মুরগীর মাংস ভোজন রসিক বাঙালির একটি অন্যতম প্রিয় খাবার।

Ingredients- উপকরণ :

চিকেন কষা রান্না করার প্রয়োজনীয় উপকরণ গুলি হল-

  • মুরগির মাংস ৮০০ গ্রাম
  • আদা পেস্ট বা বাটা ১ চা চামচ
  • রসুনবাটা ১ চা চামচ
  • পেঁয়াজ ২-৩ টি , ছোট ছোট টুকরো করে কাটা বা পেস্ট করে নিতে পারেন
  • তেজপাতা একটি
  • গরম মশলা গুঁড়ো বা বাটা ২ চা চামচ
  • গরম মশলা গোটা (৩ থেকে ৪ টি এলাচ, ৩ টি গোল মরিচ, দারুচিনি এক ইঞ্চি)
  • জিরার গুঁড়ো ১ চামচ
  • তেল পরিমান মত
  • লবন স্বাদ অনুসারে
  •  গোটা জিরা ১ চা চামচ
  • টমেটো ১টি, ছোট করে কাটা
  • লাল লংকার গুঁড়ো, ১ চা চামচ
  • হলুদ গুঁড়ো 1 চা চামচ
  • চিনি, 1/2 চা চামচ (অপশনাল)
  • টক দই, ১ টেবিল চামচ
  • ক্যাপসিকাম একটি , মাঝারি সাইজ করে কাটা (অপশনাল)
  • কাঁচা লঙ্কা ৫-৬ টি , কুচি করে কাটা
  • সর্ষের তেল পরিমান মত (১/২ কাপ)
  • কাটা ধনে পাতা,  ১/২ কাপ

চিকেন কষা রান্নার রেসিপি প্রণালী:

স্টেপ ১- Marination of Chicken:

  • প্রথমে চিকেন বা মুরগির মাংস ভালোকরে ধুয়ে জল ঝরিয়ে ফেলুন।
  • এবার ধোয়া মুরগির মাংস একটি পাত্রে নিয়ে ওর সঙ্গে আদা রসুন পেস্ট, কাটা পেঁয়াজ, লাল লংকার গুঁড়ো, জিরার গুঁড়ো, গরম মশলার গুঁড়ো (অৰ্ধেক টা), লবন, হলুদ গুঁড়ো এবং টক দই ভালো করে মেশান। এবার এই  চিকেন কে আধ ঘন্টা ফ্রিজে বা সাধারণ তাপমাত্রায় রেখে দিন মেরিনেট হওয়ার জন্য।

স্টেপ ২-

How to cook chicken kosha:

  • এবার একটি কড়াইতে ১/২ কাপ বা পরিমান মত তেল নিয়ে গরম করুন।
  • তেল গরম হলে ওর মধ্যে গোটা জিরা, গোটা গরম মশলা, ও তেজপাতা ফোড়ন দিন। মশলা একটু লাল হয়ে উঠলে ওর মধ্যে কাটা কাঁচা লঙ্কা দিয়ে ১ থেকে ২ মিনিট নাড়ুন।
  • এবার ওর মধ্যে ক্যাপসিকাম ও টমেটো, হলুদ গুঁড়ো, ও লবন যোগ করে ৩-৪ মিনিট বা যতক্ষণ পর্যন্ত লাল না হয়ে যায় ততক্ষন পর্যন্ত ভাজুন।
  • এখন মশলা মাখানো মেরিনেট করা মুরগির মাংস  কড়াইতে দিন ও ভালোভাবে মিশিয়ে ঢেকে দিন।
  • এভাবে ৩ -৪ মিনিট ঢেকে রাখার পর ঢাকনা খুলে ভালো ভাবে ৮-১০ মিনিট পর্যন্ত মাংস ভালো করে কষিয়ে নিন। মাংস কষানোর সময় মাংস মাঝে মাঝে নেড়ে নেবেন যাতে নিচের মাংস কড়াইতে লেগে ও জ্বলে না যায়।
  • এবার মাংসের মধ্যে এক কাপ জল দিন এবং ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মাংসকে ৮-থেকে ১০ মিনিট মিডিয়াম বা উচ্চ তাপে জ্বাল দিন।

https://withaspin.com/bangladeshi-recipes/

  • এবার ঢাকনা খুলে একটুকরো মাংস তুলে চেক করে দেখুন মাংস ভালোভাবে রান্না হয়েছে কিনা এবং লবন ঠিক আছে কিনা। সব ঠিক থাকলে বাকি অৰ্ধেক বাটা বা গুঁড়ো গরম মশলা ওর মধ্যে মিশিয়ে দিন।
  • এবার মাংসের উপরে কাটা ধনে পাতা যোগ করে হালকা মিশিয়ে নামিয়ে ফেলুন।
  • এবারে গরম গরম আপনার প্রিয়  ভাত, রুটি, জিরা রাইচ, বা ফ্রায়েড রাইচের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
১৮ টি সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি
chiken kosa

আলু পরোটা বানানোর রান্নার রেসিপি

Aloo paratha recipe in Bengali-রোজ রোজ একঘেয়েমি খাবার খেয়ে যদি ভালো না লাগে তবে মাঝে মাঝে আলাদা কিছু ট্রাই করতে পারেন। আর আপনার সকালের ব্রেকফাস্টে যদি থাকে আলু পরোটা তাহলে তো কোন কথাই নেই। পরোটা বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে যেমন প্লেন পরোটা, মেথির পরোটা Aloo Paratha ইত্যাদি। তবে আজকেরআপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব মজাদার ও সুস্বাদু ‘আলু পরোটা বানানোর রান্নার রেসিপি। আলু পরোটা দু-ভাবে বানানো যায়। আমি এখানে দুটি পদ্ধতিই আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব। দুটি পদ্ধতিতেই আপনি খুব সহজেই এই রেসিপি তৈরি করতে পারবেন। চলুন দেখে নিই আলুর পরোটা তৈরি করতে কিকি উপকরণের দরকার হয় ও কিভাবে বানাতে হয়

Ingredients required to make Aloo Paratha- আলু পরোটা তৈরির উপকরণ :

  • আলু চারটি , বড় সাইজের
  • আটা বা ময়দা ১ কেজি
  • ধনেপাতা, ১ মুঠো কাটা অবস্থায়
  • লবন, স্বাদ অনুসারে
  • এক চা চামচ লাল লংকার গুঁড়ো
  • ১/২ চা চামচ গরম মশলার গুঁড়ো
  • কাঁচা লঙ্কা কুচোনো ৩ টি
  • পেঁয়াজ ছোট ছোট করে কাটা একটি
  • পাতিলেবু একটি

আলু পরোটা বানানোর প্রথম পদ্ধতি

  • প্রথমে আলু ভালো করে সিদ্ধ করে নিন।
  • এবার সিদ্ধ করা আলুর খোসা ছাড়িয়ে ভালো করে ধুয়ে চটকে নিন।
  • চটকানো আলুর সঙ্গে সব মশলা, লবন, ছোট করে কাটা ধনে পাতা, পেঁয়াজ ও পাতিলেবুর রস ভালো করে মেশান।
  • এবার ময়দার  সঙ্গে নুন ও জল দিয়ে ভালো করে মেখে মাঝারি সাইজের ৬ থেকে ৭ টি লেচি তৈরি করুন।
  • প্রত্যেকটি লেচির মাঝে আলুর পুর দিয়ে গোল গোল করে বেলে ঘি বা বাদাম টেলি ভাজুন।
  • এবার গরম গরম আলুর পরোটা,  আলুর তরকারি বা আপনার পছন্দমত তরকার সাথে পরিবেশন করুন।

আলুর পরোটা তৈরীর দ্বিতীয় উপায়:

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি |আলুর পরোটা তৈরির  প্রথম পদ্ধতির চেয়ে দ্বিতীয় এই পদ্ধতিতে পরোটা খেতে বেশি সুস্বাদু হয়। বাড়িতে দুটি পদ্ধতিতেই বানিয়ে খেয়ে দেখতে পারেন। চলুন দেখে নিই আলু পরোটা তৈরির  দ্বিতীয় উপায় বা পদ্ধতি –

  • প্রথমে আলু সিদ্ধ করে ভালো করে খোসা ছাড়িয়ে নিন।
  • এবার খোসা ছড়ানো আলু ভালোকরে চটকে  নিন ও চটকানো আলুর সঙ্গে লাল লংকার গুঁড়ো, লবন, গরম মশলা ও কাটা ধনে পাতা ভালো করে মেশান।
  • এখন কড়াইতে দু থেকে তিন চামচ তেল দিয়ে গরম করুন। তেল গরম হলে ওর মধ্যে পেঁয়াজ ও কুচনো লঙ্কা দিয়ে হালকা ভাজুন (পেঁয়াজ লাল না হয় পর্যন্ত)। পেঁয়াজ ভাজা হলে ওর সঙ্গে আলু যোগ করে দুই তিন মিনিট কড়াইতে ভালো করে মেশান তার পর নামিয়ে ফেলুন।
  • পরোটা বানানোর জন্য নুন ও পরিমান মত জল দিয়ে  ময়দা মাখুন। ময়দার পিন্ড থেকে  ৬-৭ টি বলের মত লেচি করুন।
  • এখন প্রত্যেকটি লেচির মাঝে আলুর পুর দিয়ে তেল বা ঘি দিয়ে ভেজে নিন। এবার গরম গরম আলু পরোটা পরিবেশন করুন
১৮ টি সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি
potato ruti

পুরনো পাকশালের পাঁচফোড়ন অথবা হারিয়ে যাওয়া রান্নার টুকিটাকি…

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি |পুরনো রান্নার কথা বলতেই মনে পড়ে গেল আমার শৈশবের কিছু সুখস্মৃতি। আমার মায়ের কাছে একটা খুব পুরনো মোটা খাতা আছে। তখন আমি ক্লাস থ্রি কী ফোরে পড়ি। ঐ পুরনো খাতাটার প্রতি একটা অদ্ভূত টান অনুভব করতাম। কেন? তা জানি না।

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি |এই বিভাগে মাননীয়া অ্যাডমিন মহাশয়ার পুরনো রান্না সংক্রান্ত লেখা পাঠানোর আহ্বানে বিশেষ আকর্ষণ বোধ করলাম । তার ওপর এই সংক্রান্ত কয়েকটি লেখা বিগত কয়েকদিনে পড়ে এতটাই নস্ট্যালজিক হয়ে পড়লাম যে অগত্যা এই গ্রুপে প্রথম বার কলম ধরার দুঃসাহসটা করেই ফেললাম ।

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি |পুরনো রান্নার কথা বলতেই মনে পড়ে গেল আমার শৈশবের কিছু সুখস্মৃতি। আমার মায়ের কাছে একটা খুব পুরনো মোটা খাতা আছে। তখন আমি ক্লাস থ্রি কী ফোরে পড়ি। ঐ পুরনো খাতাটার প্রতি একটা অদ্ভূত টান অনুভব করতাম। কেন? তা জানি না। আসলে ছোট থেকেই আমার রান্নার খুব শখ ছিল । মা, জেঠিমারা রান্না করলে পাশে বসে বসে দেখতে খুব ভালো লাগত । কী করে মায়েরা এতো মশলাপাতির হিসেব মনে রাখে? অবাক হয়ে ভাবতাম । একেক ব্যঞ্জনে একেক ধরনের উপকরণ-এত মনে থাকে কী করে? হয়তো এই রন্ধনপ্রীতিই পরবর্তী সময়ে রসায়নের দিকে আমায় ঠেলেছিল । আজ পরিণত বয়সে এসে উপলব্ধি হয় যে, রান্নাটা আর কিছুই নয়, “quantitative mixing of quality ingredients”। হ্যাঁ, তার সঙ্গে বিষয়টির প্রতি একটু ভালোবাসা তো প্রয়োজন হয়ই। যা হোক, তা মায়ের কাছে শুনতাম যে ঐ খাতাটা আমার মায়ের ঠাকুমার।তাঁর সংগৃহীত ও পরীক্ষিত অনেক রান্নার রেসিপি সেই খাতায় রয়েছে। আমার দিদিভাইও (অর্থাৎ দিদিমা) তাঁর শাশুড়ির কাছে অনেক রান্না শিখেছিলেন, যার কিছু কিছু সংযোজিত হয়েছিল ঐ খাতার শেষের কয়েকটি পাতায়। আমার মায়েরও কিছু নিজস্ব রন্ধনপ্রণালী ঐ খাতায় ছিল । খাতাটির ঐতিহাসিক মূল্য সে অর্থে অপরিসীম । বিশেষতঃ তিন প্রজন্মের সযত্নে রক্ষিত এই রেসিপি ভান্ডার আমার মতো রন্ধনপ্রিয় মানুষের কাছে যে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না ।’যখের ধন’ এর মতো আগলে রাখা সেই খাতায় কত পুরনো পুরনো পদের কথাই না রয়েছে । রাঙা আলুর পিঠে, ছোলার ডালের পান্তুয়া, চিঁড়ের রসপুলি, ভাপা দই– আরো কত কী!

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি |একটু বড় হতে হঠাৎ একদিন ফাঁকা বাড়িতে, অলস দুপুরে, খাতাটি একান্তে আমার হাতে এল। অনেক ভেবে ঠিক করলাম ছোলার ডালের পান্তুয়া করব। তাহলে বেশ মিষ্টান্ন প্রস্তুতিতে হাতেখড়িটাও হয়ে যাবে সবার অলক্ষ্যে ।যেমন ভাবা তেমন কাজ। রান্নাঘরে ঢুকে সব উপকরণ জোগাড় করলাম । মায়ের ঠাকুমার রেসিপি, তাই উপকরণের পরিমাণও সেকেলে এককে- মণ, ছটাক, পো ইত্যাদি ইত্যাদি । অনেক ভেবে চিন্তে সেগুলি বর্তমান এককে পরিবর্তন করে, উপকরণগুলির একটি পরিমাণগত খসড়াও তৈরি করলাম । সারাদিনের প্রচেষ্টায় খুব সুন্দর দেখতে পান্তুয়াও তৈরি হল। রাতে মা, বাবা বাড়ি ফিরলে, ভাবলাম দারুণ surprise দেব। দুজনকেই প্লেটে করে পরিবেশন করলাম আমার ছোলার ডালের পান্তুয়া ।

মা, বাবা দুজনেই মুখে দিয়েছেন আর আমি তখন আমার প্রতিটা heart beat শুনতে পাচ্ছি । কী জানি, কেমন প্রতিক্রিয়া আসবে? বাবা বললেন – ‘ খুব ভালো হয়েছে, তবে এই পান্তুয়া ছুঁড়ে কাউকে মারলে তার মাথা ফাটার সম্ভাবনা প্রবল ।’ সারাদিনের এতো উৎসাহ যেন নিমেষে ফাটা বেলুনের মতো চুপসে গেল। মা বললেন-‘ না, প্রথম চেষ্টা করেছ, কিন্তু কোথা থেকে জানলে এই রেসিপি?’ মায়ের কাছে প্রশ্নোত্তর পর্বে অবশেষে ধরা পড়ল উপকরণ নির্বাচনেই গলদ।ছোলার ডালের পরিবর্তে মটর ডাল নিয়ে ফেলেছিলাম যে!!

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি |এরপর মায়ের কাছেই একে একে শিখেছি রান্নার খুঁটিনাটি । চিনেছি ডাল থেকে শুরু করে নানান মশলাপাতি । আরেকজনের কথা না বললেই নয় – আমার দিদিভাই ।অসম্ভব ভালো রান্না করতেন। দিদিভাইয়ের রান্নার কথা বলতে গেলে একটা আস্ত বই লেখা হয়ে যায়। তাই স্মৃতিচারণ পর্ব এখানেই স্থগিত রেখে আজ বলি সেই রেসিপি খাতার একটি বিশেষ রেসিপির কথা, যা মায়ের ঠাকুমার কাছে শিখেছিলেন আমার দিদিভাই, দিদিভাইয়ের থেকে আমার মা আর মায়ের থেকে আমি।

নিরামিষ ডিমের ডালনা রান্নার রেসিপি

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি |ডিমের সাদা অংশ তৈরি করার জন্য দেড় কাপ জল ঝরানো ছানা নিতে হবে। ছানার সঙ্গে দু এক টুকরো আলু সিদ্ধ, স্বাদ মতো নুন, মিষ্টি ও অল্প একটু ময়দা মিশিয়ে খুব ভালো করে মেখে নিতে হবে। মাখাটা যেন খুব মোলায়েম, মন্ডের মতো হয়।

* ডিমের কুসুম তৈরি করতে ৩\৪ কাপ ছোলার ডাল সারারাত ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর জল ফেলে অল্প একটু আদা ও কাঁচালঙ্কা সহ ডালটা ভালো করে বেটে নিতে হবে । এবার কড়াইতে তেল গরম করে হিং, গোটা জিরে ফোড়ন দিতে হবে । তার মধ্যে নুন, মিষ্টি, হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো ও একটু আমচুর পাউডার মিশিয়ে, ঢিমে আঁচে ভালো করে কষতে হবে । সব মশলা মিশে, মিশ্রণটা কড়াইয়ের গা ছেড়ে দিলে নামিয়ে নিতে হবে।

* এবার ছোলার ডালের মিশ্রণটা থেকে ছোট ছোট ডিমের কুসুমের মতো গুলি তৈরি করে নিতে হবে ।ছানার মন্ড থেকে পরিমাণ মতো ছানা নিয়ে তার মধ্যে ডালের গুলি ভরে, ওপর দিকে ছানা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে ।তারপর হাত দিয়েই ডিমের আকার দিতে হবে। ডিমগুলি সব গড়া হলে হাল্কা আঁচে তেলে ভেজে তুলে রাখতে হবে।

* এরপর কড়াইতে তেল গরম করে ডুমো ডুমো করে কেটে রাখা আলু আগে ভেজে তুলে নিতে হবে। ঐ তেলেই হিং, গোটা জিরে আর তেজপাতা ফোড়ন দিতে হবে ।

আগে থেকে একটা বাটিতে ১টা মাঝারি টোম্যাটো বাটা, নুন, চিনি, লঙ্কার গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, আদাবাটা ও অল্প জল দিয়ে একটা ঘন পেস্ট তৈরি করে রাখতে হবে ।

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি |ফোড়ন ফুটে গেলে ঐ পেস্টটা দিয়ে ঢিমে আঁচে নাড়তে হবে যতক্ষণ না মশলা তেল ছাড়ে।এবার ভেজে রাখা আলুগুলি দিয়ে খানিকক্ষণ কষে,পরিমাণ মতো গরম জল দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। আলু সিদ্ধ হয়ে গেলে, ভেজে রাখা নিরামিষ ডিমগুলি দিয়ে একবার ফুটিয়ে, ঘি, গরম মশলা ছড়িয়ে নামাতে হবে।

১৮ টি সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি
egg carry

রুকমা দাক্ষীর রান্না বিলাস: চিংড়ি-কাতলার হালকা ডিশ রান্নার রেসিপি

রন্ধন পটিয়সী রুকমা দাক্ষী বিশেষ সব ডিশের হদিশ দিতে শুরু করলেন ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলায়। রইল এমন দুটি রেসিপি যা বানাতে সহজ, খেতে দারুণ, অথচ গরমকালের উপযোগী এবং কম তেল-মশলাদার

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি |বাইরে সূর্যের প্রবল চোখ রাঙানি, গরমে তেল-মশলার প্রতি বড়ই অরুচি। এদিকে জিভের তোয়াজ করতে গেলে মুখরোচক রান্না ছাড়া চলে নাকি? তবে গ্রীষ্মের প্রবল দাবদাহে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে গেলে সবার আগে প্রয়োজন পেট ঠাণ্ডা রাখা। আর পেট ঠাণ্ডা রাখার প্রধান উপায় হলো হালকা খাবার। হালকা খাবার মানেই কি স্বাদের সঙ্গে সমঝোতা? একদমই তা নয়। কম তেল মশলাতেও বেশ স্বাদু খাবার তৈরি করা যায়। তাই আপনাদের সঙ্গে আজ এমন দুটি রেসিপি শেয়ার করব যা বানাতে সহজ, খেতে দারুণ, অথচ গরমকালের উপযোগী এবং কম তেল-মশলাদার।

কাতলা পেটির টক রান্নার রেসিপি

উপকরণ: কাতলা মাছের পেটি (৪ টি), আমাদা কুচোনো (১ টেবিল চামচ), শুকনো লঙ্কা (২ টি), পাকা তেঁতুলের ক্কাথ (২ টেবিল চামচ), নুন (স্বাদ মতো), চিনি (৩ চা চামচ), হলুদ গুঁড়ো (১ চা চামচ), গোটা সর্ষে (১/২ চা চামচ), সর্ষের তেল (১/২ কাপ)

রান্নার রেসিপি প্রণালী: মাছ ধুয়ে নুন হলুদ মাখিয়ে সোনালী করে ভেজে তুলুন। এরপর পরিষ্কার তেলে গোটা সর্ষে ও শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিন। সুগন্ধ বেরোলে নুন, হলুদ গুঁড়ো, তেঁতুলের ক্কাথ, নুন, চিনি, ও আমাদা দিয়ে হালকা কষিয়ে নিন। এইবার ওই মশলায় ৩/৪ (পৌনে এক) কাপ জল ও ভাজা মাছগুলো দিন। মাছ ফুটলে, একটু ঘন হলে নামিয়ে নিন।

ঝিঙে চিংড়ি রান্নার রেসিপি

উপকরণ: ধোয়া বাছা কুচো চিংড়ি (২০০ গ্রাম), ডুমো করে কাটা ঝিঙে (৩ টে), নুন (স্বাদ মতো), চিনি (১ চা চামচ), কালোজিরে (১/২ চা চামচ), কাঁচালঙ্কা (৪-৫ টা), হলুদ গুঁড়ো (এক চিমটে, মাছে মাখানোর জন্য), নারকেল কোরা (১/২ কাপ), সর্ষের তেল (৪ টেবিল চা চামচ)

রান্নার রেসিপি প্রণালী: মাছে নুন হলুদ মাখিয়ে রাখুন। কড়াইতে তেল দিয়ে কালোজিরে ফোড়ন দিন। ফোড়ন হয়ে গেলে জল চিপে বের করে নিয়ে মাছ দিন এবং হালকা করে ভাজুন। এইবার বাকি সব উপকরণ যেমন ঝিঙে, নুন, চিনি, নারকেল কোরা দিয়ে ঢাকা দিয়ে মাঝারি আঁচে রাঁধুন। মাঝে মাঝে ঢাকা খুলে নাড়তে থাকুন। বেশ শুকনো শুকনো হয়ে এলে কাঁচালঙ্কাগুলো ভেঙে ভেঙে দিয়ে দিন। তরকারির থেকে তেল ছাড়লে নামিয়ে নিন। গরম ভাতে খান, ভালো লাগবে।

১৮ টি সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি
bilas

দু’মিনিটেই চিকেন বিরিয়ানি, পড়ে দেখুন খুব সহজ রান্নার রেসিপি

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি |বাসমতী চাল ৭০০ গ্রাম (বাড়ির ভাতের চালেও করা যাবে ), মুরগির মাংস দেড় কেজি, পেঁয়াজ কুচি ৪ টি বড় মতো, রসুন 8 কোয়া, কাঁচালঙ্কা,

বাসমতী চাল ৭০০ গ্রাম (বাড়ির ভাতের চালেও করা যাবে ), মুরগির মাংস দেড় কেজি, পেঁয়াজ কুচি ৪ টি বড় মতো, রসুন 8 কোয়া, কাঁচালঙ্কা, আদাবাটা ২ টেবিল চামচ, টক দই ৪ টেবিল চামচ, টক দই ৪ টেবিল চামচ, গোটা মশলা যেমন- লবঙ্গ, দারচিনি, এলাচ, জায়ফল, জয়িত্রী , ধনে, আন্দাজ মতো, দুধে ভেজানো জাফরান অথবা কামধেনু রঙ অল্প। কেওড়া জল আন্দাজ মতো। দেশি ঘি ২ টেবিল চামচ ৷

পেঁয়াজ কুচি করে দুধে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন।তেল খুব গরম হলে পেঁয়াজ কুচিগুলি তুলে নিয়ে ভাজুন।এতে পেঁয়াজে তাড়াতাড়ি বাদামি রঙ ধরবে এবং পেঁয়াজ কুচিগুলিও মুচমুচে হবে ৷

তৈরি করুন এভাবে-

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি |প্রথমে গোটা মশলা গুলো মিক্সিতে পিষে নিন। এবার কাঁচালঙ্কা,পেঁয়াজ , রসুন ও আদা মিক্সিতে পেষ্ট করে রাখুন। টকদই –এ গুড়ো মশলাগুলো দিয়ে ফেটিয়ে রাখুন। এবার মাংসের মধ্যে সব বাটা মশলা এবং -গুঁড়ো মশলা মেশানো টক দই ও নুন-চিনি দিয়ে মেরিনেট করুন। জল দিতে হবেনা।বেশি সময় ধরে মেরিনেট করলে মাংস নরম হয়। ফ্রিজেও রাখতে পারেন বেশ কিছু সময়। এবার মেরিনেট করা মাংস ও গোটা আলু প্রেসার কুকারে দিয়ে ২/ ৩ টি সিটি দিন।খেয়াল রাখবেন রান্নার সময় আঁচ হালকা করে নিতে হবে।

বিরিয়ানি ভাতের জন্য যা যা করতে হবে:—

চাল অন্তত এক ঘণ্টা মতো জলে ভিজিয়ে রাখুন। এবার একটিপাত্রে জল দিয়ে ফুটতে দিন। তাতে জল ঝরিয়ে চালগুলো দিয়ে দিন।ঐ সঙ্গে তেজপাতা ও নুন দিন।জলের পরিমাণ চাল অনুযায়ী দিতে হবে । ভাত একটু শক্ত থাকতে নামিয়ে নিন। মশারির নেটে ঢেলে দিয়ে ভাত ঝরঝরে করে নিন।এবার দুধে ভেজানো জাফরান দিয়ে অথবা অতি সামান্য কামধেনু রঙ দিয়ে ভাত সামান্য ঝাঁকিয়ে নিন।

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি |এবার সাজানোর অর্থাৎ লেয়ার বানানোর পর্যায় :— একটি পাত্রে প্রথমে আন্দাজ মতো ভাত দিন। তারপর রান্না করা মুরগির মাংসের কয়েকটি টুকরো, আলু এরপর পেঁয়াজ ভাজা ছড়িয়ে দিন।পুনরায় একইভাবে লেয়ার বানান। সবশেষে কেওড়ার জল ছড়িয়ে দিন। এবার ২ টেবিল চামচ দেশী ঘি ছড়িয়ে ঢাকা দিয়ে রাখুন।

এইবার উনানে একটা তাওয়া রেখে কিংবা একটি ফুটন্ত জলের পাত্রের উপর বিরিয়ানির পাত্রটি বসিয়ে রাখুন ২০ — ২৫ মিনিট মতো। বিরিয়ানির পাত্রের ঢাকনা ভালভাবে বন্ধ করতে হবে।দরকার হলে মাখা ময়দার প্রলেপ দিয়ে ফাঁক বন্ধ করলে ভাল হয়।

১৮ টি সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি
biriyani

স্পঞ্জি ও নরম রসগোল্লা বানানোর রান্নার রেসিপি

Ranna Recipe ব্লগে আপনাদের স্বাগত। রান্না রেসিপির আজকের ব্লগে আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি মিষ্টির রাজা “রসগোল্লা বানানোর রান্নার রেসিপি নিয়ে। বাঙালি মিষ্টি মানেই প্রথমেই আসে রসগোল্লার নাম। বাঙালির এমন কোন অনুষ্ঠান নেই যা এই মিষ্টি ছাড়া সম্পন্ন হয়।  শুধু ভারত-বাংলাদেশ নয় সারা পৃথিবী জুড়েই সুনাম রয়েছে এই মিষ্টির।

আজকাল অনেকেই বাড়িতে Rosgolla  তৈরি করার চেষ্টা করেন। কিন্তু দোকানের মত পারফেক্ট রসগোল্লা তৈরি করতে পারেননা। কোথাও না কোথাও একটা কমতি থেকে যায়। কিন্তু আজকের এই ব্লগটি পড়ার পর আপনারা খুব সহজেই বাড়িতেই বানাতে পারবেন পারফেক্ট নরম ও স্পঞ্জি রসগোল্লা। তাহলে দেরি না করে ঝটপট দেখে নিন Rosgulla  বানানোর প্রয়োজনীয় উপকরণ ও বানানোর পদ্ধতি

উপকরণ :

গরুর দুধ ১ লিটার, ছানা বানানোর জন্য।
ভিনিগার এক টেবিল চামচ বা লেবুর রস তিন টেবিল চামচ
এক টেবিল চামচ ময়দা অথবা  কর্নফ্লাওয়ার
এলাচ গুঁড়ো  ১ চা চামচ (এলাচ শিলে ভালোকরে পিষে গুঁড়ো করে নেবেন )
সিরা বানানোর উপকরণ:
দুই থেকে তিন  কাপ চিনি
৫ কাপ জল
১ চা চামচ গোলাপ জল

রসগোল্লা বানানোর রান্নার রেসিপি:

রসগোল্লা বানানোর জন্য প্রথমে দরকার পারফেক্ট ছানা। কিন্তু এই ছানা বানানোর সাথে সাথেই যদি সেই ছানা দিয়ে মিষ্টি বানানো হয় তাহলে রসগোল্লা পারফেক্ট হয় না। কিছু নিদির্ষ্ট প্রক্রিয়ায় এবং সঠিকভাবে ছানা তৈরি করে সেই ছানা থেকে রসগোল্লা বানালে তবেই এই মিষ্টি নরম ও স্পঞ্জি হয়। তাহলে চলুন স্টেপ বাই স্টেপ রেসিপি দেখে নিই –

ছানা বানানোর রান্নার রেসিপি নিয়ম :

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি |প্রথমে এক লিটার দুধ একটি পাত্রে নিয়ে জ্বাল দিন। দুধ ফুটে গাঢ় হয়ে এলে দুধের মধ্যে ভিনিগার বা লেবুর রস দিয়ে দিন। এবার গ্যাসের আচ কমিয়ে দিয়ে ধীরে ধীরে গরম  করতে থাকুন। দুধ যখন একটু হলুদ হয়ে ফেটে যাবে এবং জমাট বেঁধে ছানা আলাদা হতে শুরু করবে তখন জ্বাল দেওয়া বন্ধ করে দিন। যদি ছানা ভালো না জমে তাহলে আরো একটু ভিনিগার বা লেবুর রস যোগ করে নেবেন। এবার একটি পরিষ্কার কাপড়ে ছানা ঢেলে প্রথমে পরিষ্কার জল দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নেবেন যাতে ছানার থেকে টক স্বাদ চলে যায়। এবার ছানার থেকে সমস্ত সমস্ত জল ঝরিয়ে নিন । ভালো করে জল ঝরানোর জন্য ছানা কাপড়ে বেঁধে ঝুলিয়ে রাখুন। এভাবে ছানা বানিয়ে ৪-৫ ঘন্টা রেখে দিন।

নরম ও স্পঞ্জি রসগোল্লা বানানোর রান্নার রেসিপি নিয়ম :

ছানা বানানো হয়ে গেছে চলুন এবার দেখে নিই রসগোল্লা কিভাবে বানাতে হবে

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি |প্রথমে চিনির সিরা  তৈরি করে নিন। চিনির সিরা তৈরি করার জন্য একটি পাত্রে ৫ কাপ জল নিয়ে ওর মধ্যে চিনি যোগ করুন। এবার চিনির জলকে জ্বাল দিন। চিনির জল গাড় হয়ে এলে আঁচ কমিয়ে দিন। চিনির জলের উপর ময়লা জমলে চামচ দিয়ে তুলে ফেলুন। এভাবে তৈরি হয়ে গেল চিনির সিরা।

সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি |এবার ছানার সঙ্গে কর্নফ্লোর বা ময়দা এবং এলাচের গুঁড়ো মিশিয়ে ভালোকরে মাখুন। ছানা কমপক্ষে ৮-১০ মিনিট মাখুন যাতে ছানায় দানা দানা ভাব না থাকে। এতে  রসগোল্লা নরম ও স্পঞ্জি হয়। এবার ছানার থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে হাতের তালুতে নিয়ে গোল গোল করুন। এবার গোল করা ছানার রসগোল্লা গরম চিনির জলের মধ্যে যোগ করুন। সমস্ত রসগোল্লা চিনির সিরার মধ্যে ডুবিয়ে একটি পাত্র দিয়ে ঢেকে ১০ মিনিট জ্বাল দিন তার পর ঠান্ডা করার জন্য রেখে দিন। ভালোভাবে রসগোল্লা তৈরির জন্য চিনির জলের মধ্যে Rosgolla  ৫ থেকে ৬ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন।  এবার আপনার প্রিয় Rosgulla পরিবেশন করুন দেখবেন একদম দোকানের মতোই পারফেক্ট স্পঞ্জি ও নরম রসগোল্লা তৈরি হয়ে গেছে।

Equipment

  • কড়াই
  • মেশানোর জন্য পাত্র

Ingredients

  • ১ লিটার গরুর দুধ
  • ১ চা চামচ ভিনিগার 
  • ১ কাপ ময়দা অথবা  কর্নফ্লাওয়ার
  • ১ চা চামচ এলাচ গুঁড়ো
  • ৩ কাপ দুই থেকে তিন  কাপ চিনি
  • ৫ কাপ জল
  • ১ চা চামচ গোলাপ জল

Instructions

  • প্রথমে দুধ থেকে ছানা বানিয়ে কাপড়ে বেঁধে ৪-৫ ঘন্টা ঝুলিয়ে রাখুন।
  • একটি পাত্রে ৫ কাপ জল নিয়ে ওর মধ্যে চিনি যোগ করুন। এবার চিনির জলকে জ্বাল দিন। চিনির জল গাড় হয়ে এলে আঁচ কমিয়ে দিন। চিনির জলের উপর ময়লা জমলে চামচ দিয়ে তুলে ফেলুন। এভাবে তৈরি হয়ে গেল চিনির সিরা।
  • এবার ছানার সঙ্গে কর্নফ্লোর বা ময়দা এবং এলাচের গুঁড়ো মিশিয়ে ভালোকরে মাখুন। এবার ছানার থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে হাতের তালুতে নিয়ে গোল গোল করুন। 
  • এবার গোল করা ছানার রসগোল্লা গরম চিনির জলের মধ্যে যোগ করুন। সমস্ত রসগোল্লা চিনির সিরার মধ্যে ডুবিয়ে একটি পাত্র দিয়ে ঢেকে ১০ মিনিট জ্বাল দিন তার পর ঠান্ডা করার জন্য রেখে দিন।
  • ভালোভাবে রসগোল্লা তৈরির জন্য চিনির জলের মধ্যে Rosgolla  ৫ থেকে ৬ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। 
১৮ টি সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি
sugar

By Rajdeep

5 thoughts on “১৮ টি সেরা ভারতীয় রান্নার রেসিপি”
  1. Hi there! This blog post could not be written any better!
    Reading through this article reminds me of my previous roommate!
    He continually kept preaching about this. I most certainly will forward
    this information to him. Fairly certain he will
    have a good read. Many thanks for sharing!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *